ঢাকা   বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
দৈনিক আপনার খবর

বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন জাদুঘর এ আয়োজিত অনুষ্ঠানে অতিথীদেরকে সন্মাননা পত্র দিতে বাধা প্রদান করেন সোনাইমুড়ী উপজেলার uno এবং ac land অফিসার

প্রতিমন্ত্রী ও সংসদ সদস্য এর অনুষ্ঠানে সন্মাননা পত্র প্রদানে বাধা সৃষ্টি বাংলাদেশের আইনে গুরুতর অপরাধ, কি কি বলল আইন



প্রতিমন্ত্রী ও সংসদ সদস্য এর অনুষ্ঠানে সন্মাননা পত্র প্রদানে বাধা সৃষ্টি বাংলাদেশের আইনে গুরুতর অপরাধ, কি কি বলল আইন
ছবি- সংগৃহীত

নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ী উপজেলার দেওটি ইউনিয়ন বাগপাচরা গ্রামে বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন এর জাদুঘর অবস্থিত। উক্ত জাদুঘর পরিদর্শন এ আসেন এবং আলোচনা সভায় অংশগ্রহণ করেন।
উক্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত করেন সোনাইমুড়ী উপজেলা প্রশাসন। পরিচালনা করেন ভুমি কর্মকর্তা জসিম উদ্দিন। 

মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জনাব ইশরাক হোসেন ও বাংলাদেশ আইনজীবী সমিতির সম্মানিত সভাপতি, নোয়াখালী ১ এর সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন উপস্থিতিতে অতিথীদেরকে সন্মাননা পত্র প্রদানে বাধা সৃষ্টি করেন সোনাইমুড়ী উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা নাসরিন আক্তার এবং উপজেলা ভূমি কর্মকর্তা।


বাংলাদেশ সরকারের আইনে স্পষ্ট লিখা আছে এইটা দন্ডণীয় অপরাধ।

মাননীয় সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব শাহ হোসেন-এর উপস্থিতিতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রশাসনের এই আচরণ এবং অতিথিদের সম্মাননা পত্রে বাধা দেওয়ার ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুতর।
​প্রশাসনিক আইন এবং সরকারি চাকুরীর বিধিমালা অনুযায়ী, একজন সংসদ সদস্য (যিনি পদমর্যাদাক্রম বা Warrant of Precedence অনুযায়ী অত্যন্ত উচ্চ মর্যাদার অধিকারী) এবং একজন প্রতিমন্ত্রীর রাষ্ট্রীয় প্রোগ্রামে বাধা সৃষ্টি করা এবং প্রটোকল ডিউটি পালন না করা সরাসরি ফৌজদারি অপরাধ এবং গুরুতর বিভাগীয় অসদাচরণ।
​এই ঘটনার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য দুটি মূল আইনি ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া রয়েছে। নিচে প্রক্রিয়া দুটি এবং নতুন তথ্যসহ একটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগপত্রের আইনি খসড়া দেওয়া হলো:
​১. আইনি ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া (যাদের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়া যাবে)
• ​বিভাগীয় মামলা ও সাময়িক বরখাস্তের আবেদন: সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর অধীনে এটি চরম "অসদাচরণ" (Misconduct) এবং "অদক্ষতা"। জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এবং মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে অভিযোগ পাঠিয়ে উক্ত কর্মকর্তাদের সাময়িক বরখাস্ত (Suspension) এবং বিভাগীয় মামলা রুজুর দাবি করা যায়।
• ​সংসদে প্রিভিলেজ মোশন বা অধিকার ভঙ্গ নোটিশ: যেহেতু নোয়াখালী-১ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন মহোদয়কে ওনার নির্বাচনী এলাকায় সরকারি দায়িত্ব পালনে ও অনুষ্ঠানে বাধা দেওয়া হয়েছে, তাই তিনি নিজে জাতীয় সংসদের স্পিকার বরাবর উক্ত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে "অধিকার ভঙ্গ নোটিশ" (Privilege Motion) আনতে পারেন। সংসদীয় কমিটি তখন এই কর্মকর্তাদের তলব করে শাস্তির ব্যবস্থা করতে পারে।
• ​আদালতে রিট পিটিশন: ক্ষমতার অপব্যবহার এবং রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে বাধা দেওয়ার কারণে সংক্ষুব্ধ নাগরিক বা আয়োজক কমিটি মহামান্য হাইকোর্টে সরকারি পরিপত্র ও প্রটোকল লঙ্ঘনের দায়ে একটি রিট মামলা দায়ের করতে পারেন।

Image

বিষয় : @daily apnarkhabor news

আপনার মতামত জানান দৈনিক আপনার খবর

দৈনিক আপনার খবর

বুধবার, ১০ জুন ২০২৬


প্রতিমন্ত্রী ও সংসদ সদস্য এর অনুষ্ঠানে সন্মাননা পত্র প্রদানে বাধা সৃষ্টি বাংলাদেশের আইনে গুরুতর অপরাধ, কি কি বলল আইন

প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুন ২০২৬

featured Image

নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ী উপজেলার দেওটি ইউনিয়ন বাগপাচরা গ্রামে বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন এর জাদুঘর অবস্থিত। উক্ত জাদুঘর পরিদর্শন এ আসেন এবং আলোচনা সভায় অংশগ্রহণ করেন।
উক্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত করেন সোনাইমুড়ী উপজেলা প্রশাসন। পরিচালনা করেন ভুমি কর্মকর্তা জসিম উদ্দিন। 

মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জনাব ইশরাক হোসেন ও বাংলাদেশ আইনজীবী সমিতির সম্মানিত সভাপতি, নোয়াখালী ১ এর সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন উপস্থিতিতে অতিথীদেরকে সন্মাননা পত্র প্রদানে বাধা সৃষ্টি করেন সোনাইমুড়ী উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা নাসরিন আক্তার এবং উপজেলা ভূমি কর্মকর্তা।


বাংলাদেশ সরকারের আইনে স্পষ্ট লিখা আছে এইটা দন্ডণীয় অপরাধ।

মাননীয় সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব শাহ হোসেন-এর উপস্থিতিতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রশাসনের এই আচরণ এবং অতিথিদের সম্মাননা পত্রে বাধা দেওয়ার ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুতর।
​প্রশাসনিক আইন এবং সরকারি চাকুরীর বিধিমালা অনুযায়ী, একজন সংসদ সদস্য (যিনি পদমর্যাদাক্রম বা Warrant of Precedence অনুযায়ী অত্যন্ত উচ্চ মর্যাদার অধিকারী) এবং একজন প্রতিমন্ত্রীর রাষ্ট্রীয় প্রোগ্রামে বাধা সৃষ্টি করা এবং প্রটোকল ডিউটি পালন না করা সরাসরি ফৌজদারি অপরাধ এবং গুরুতর বিভাগীয় অসদাচরণ।
​এই ঘটনার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য দুটি মূল আইনি ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া রয়েছে। নিচে প্রক্রিয়া দুটি এবং নতুন তথ্যসহ একটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগপত্রের আইনি খসড়া দেওয়া হলো:
​১. আইনি ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া (যাদের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়া যাবে)
• ​বিভাগীয় মামলা ও সাময়িক বরখাস্তের আবেদন: সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর অধীনে এটি চরম "অসদাচরণ" (Misconduct) এবং "অদক্ষতা"। জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এবং মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে অভিযোগ পাঠিয়ে উক্ত কর্মকর্তাদের সাময়িক বরখাস্ত (Suspension) এবং বিভাগীয় মামলা রুজুর দাবি করা যায়।
• ​সংসদে প্রিভিলেজ মোশন বা অধিকার ভঙ্গ নোটিশ: যেহেতু নোয়াখালী-১ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন মহোদয়কে ওনার নির্বাচনী এলাকায় সরকারি দায়িত্ব পালনে ও অনুষ্ঠানে বাধা দেওয়া হয়েছে, তাই তিনি নিজে জাতীয় সংসদের স্পিকার বরাবর উক্ত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে "অধিকার ভঙ্গ নোটিশ" (Privilege Motion) আনতে পারেন। সংসদীয় কমিটি তখন এই কর্মকর্তাদের তলব করে শাস্তির ব্যবস্থা করতে পারে।
• ​আদালতে রিট পিটিশন: ক্ষমতার অপব্যবহার এবং রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে বাধা দেওয়ার কারণে সংক্ষুব্ধ নাগরিক বা আয়োজক কমিটি মহামান্য হাইকোর্টে সরকারি পরিপত্র ও প্রটোকল লঙ্ঘনের দায়ে একটি রিট মামলা দায়ের করতে পারেন।


দৈনিক আপনার খবর

প্রকাশক ও সম্পাদক : মাসুদের রহমান
বার্তা সম্পাদক: ফরহাদ উদ্দিন

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত দৈনিক আপনার খবর