ভানুয়াই গ্রাম থেকে এসে শিমুলিয়া গ্রামের জমি দখলের এ ঘটনায় প্রতিবাদ জানিয়ে দখলদারদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় শিমুলিয়া বাসিন্দা ও ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা।
নোয়াখালী সোনাইমুড়ী উপজেলার সোনাইমুড়ী কলেজের পাশে ভানুয়াই গ্রামের কিছু সন্ত্রাসী শিনুলিয়া গ্রামে সড়কের কাজ শেষ না হতেই সরকারি জায়গা দখলে শিমুলিয়াবাসীর প্রতিবাদ ও মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
স্থানীয় বার্তা প্রদান ---
নোয়ালীখাইমুড়ী ( সোনাইমুড়ি - চাটখিল ) এর মহাসড়ক ফোরে- ঘটেছে শেষের কাজ শেষ না হতেই শিমুলিয়া সংখ্যার মূল্যের মূল্য ভানুয়াই সংখ্যা কতিপয় অংশ খেকো, সন্ত্রাসী স্থান দখলের চেষ্টা অভিযোগ অভিযোগ স্থানীয়দের বিরুদ্ধে ।
ভানুয়াই গ্রাম থেকে এসেছেন শিমুলিয়া লঘুপাথের এ প্রশ্ন জবাবে হুমকির বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ও শিক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় শিমুলিয়া গ্রামের বাসিন্দা ও ভোক্তভোগী বাসিন্দারা ।
গত শনিবার ( ১১ জুলাই ) সোনাইমুড়ি পৌরসভার ২ নম্বর পদের শিমুলিয়া (সোনাইমুড়ি - চাটখিল) পাশে ঘন্টায় মানববন্ধন অনুষ্ঠান পালিত হয়। গণভুক্তভোগী সহ স্থানীয় শিমুলিয়া গ্রামের সর্বস্তরের জনগণের সমর্থনে মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয় ।
মানববন্ধন এ বক্তব্য রাখেন -- সাবেক কাউন্সিলর ইসমাইল মোল্লা , ওয়ার্ড বিএনপির সহ-সভাপতি ডা: শহীদ উল্লাহ , ভূক্তভোগী শিমুলিয়া গ্রামের মো নুর নবী , নোমান সিদ্দিকী , মনির হোসেন ও বাবুল মিয়াসহ শিমুলিয়া গ্রামের স্থানীয় জনগন প্রমূখ ।
বক্তারা বলেন , ১৯৬০ পরবর্তী সময়ে সড়কনির্মাণের জন্য সরকার জমি অধিগ্রহণ করলে ভূক্তভোগীরা তাদের মালিকানাধীন ও ভোগদখলীয় জমি স্বেচ্ছায় ছেড়ে দেন। পরবর্তীতে সড়কের পাশের জায়গা তারা চাষাবাদ , মৎস্যচাষ ও ছোট দোকানঘর নির্মাণ করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছিলেন।
তারা আরও বলেন , ২০২৪ সালে সোনাইমুড়ি - চাটখিল - রামগঞ্জ সড়ক ফোর-লেন প্রকল্প অনুমোদন এর পর জমি খালী করার নোটিশ পেয়ে স্বেচ্ছায় তারা দোকানঘর ও চাষাবাদ অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে জমি খালী করে সরকারকে সহযোগিতা করেন ।
স্থানীয়দের অভিযোগ , গত বৃহস্পতিবার ( ৯ জুলাই ) দিবাগত গভীর রাতে সোনাইড়ি পৌর ইউরোপ যুগ্ম আহ্বায়ক, আলমগীর হোসেন চিম্পু , উপজেলা বিএনপি যুগ্ম আহ্বায়ক , মনির ভূঁইয়া , পৌরচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক রুবেল ভুঁইয়া , পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সোহেল ভূঁইয়া ও যুবদলনেতা মোজাম্মেল হোসেনসহ অর্ধশতাধিক সন্ত্রাসী দেশীয় অস্ত্র নিয়ে টিনের ভেড়া দিয়ে কলেজ পুকুরপাড় থেকে শিমুলিয়া কালভার্ট পর্যন্ত প্রায় ৩০০ ফুট জায়গা জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা করে ।
অভিযোগকারীরা বলেন , অভিযুক্ত পাশ্ববর্তী ভানুয়াই বাসিন্দা এবং শিমুলিয়া তাদের কোনো জায়গা-জমি বা ওয়ারিশ নেই । শুধুমাত্র ভানুয়াই গ্রামের বাসিন্দা প্রভাব খাটিয়ে সন্ত্রাসীরা দখলের চেষ্টা চালাচ্ছে। উক্ত ভানুয়াই গ্রামের সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ উঠেছে গত ১৭ বছর বাইপাসের আশেপাশের সরকারি সম্পত্তি আওয়ামীলীগের সাথে আঁতাত করে দখল করে রুম তৈরী করে ভাড়া নিচ্ছে।
শিমুলিয়া গ্রামের ভুক্তভোগীরা দাবি করেন , তারা নিজেরাও বিএনপি কর্মী-সমর্থক। কিছু ভানুয়াই গ্রামের সন্ত্রাসী বিএনপি নাম ব্যবহার করে সরকারী জমি দখল এ চেষ্টা চালায়, এই সন্ত্রাসীগণকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার এর জোরালো দাবী জানান। আজ ভুক্তভোগীরা বিএনপি পরিবারের হয়েও হয়রানীর শিকার হচ্ছেন।
বিষয়টি সোনাইমুড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাসরিন আক্তারকে হলেও এখনো তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেন নাই বলে তারা অভিযোগ করেন ।
ভুক্তভোগীরা বিএনপির চেয়ারম্যান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান ও সোনাইমুড়ী চাটখিল এর সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন এর হস্তক্ষেপ কামনা করছেন এবং সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে বিরুদ্ধে সাংগঠনিকভাবে বহিষ্কার এর জোরালো দাবী জানান।
এ বিষয়ে অভিযুক্তদের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাদেরকে পাওয়া যায় নাই ।
সোনাইমুড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ( ইউএনও নাছরিন আক্তার ) জানান , মৌখিক অভিযোগ পাওয়ার পর সড়ক ও জনপদ বিভাগকে অবহিত করা হয়েছে । সড়ক ও জনপদ বিভাগ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে চাইলে আইনী সহায়তা দেওয়া হবে।
সড়ক ও জনপদ নোয়াখালীর নির্বাহী প্রকৌশলী মো . ফরিদ উদ্দিন বলেন , শিমুলিয়া গ্রামের সরকারী সম্পদ দখলের চেষ্টা করলে অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করতে নোয়াখালী জেলা প্রশাসনের ম্যাজিস্ট ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনী দ্বারা উচ্ছেদ অভিযান করা হবে।
বিষয় : @daily apnarkhabor news
আপনার মতামত জানান দৈনিক আপনার খবর