ঢাকা   বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
দৈনিক আপনার খবর

বিএনপি'র মধ্যসত্তভোগীরা অনেক শক্তিশালী হয়ে থাকেন, এক পদ এক নেতা এই ভালো উদ্যোগটি বাস্তবায়িত হবে নাহ।

এক নেতা এক পদ কিন্তু কতটুকু বাস্তবায়ন হবে মধ্যসত্তভোগীদের কারণে বাস্তবায়ন হওয়ার সম্ভাবনা কম।



এক নেতা এক পদ কিন্তু কতটুকু বাস্তবায়ন হবে মধ্যসত্তভোগীদের কারণে বাস্তবায়ন হওয়ার সম্ভাবনা কম।
ছবি- সংগৃহীত , মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান


বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি'র চেয়ারম্যান বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একটি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন এক নেতা এক পদ। এই উদ্যোগটি একটি দলের জন্য স্বচ্ছতা জবাবদিহিতা দায়বদ্ধতা থেকে মুক্তি পাওয়ার একটি স্বচ্ছ রাস্তা।

এক নেতা এক পথ এটি বাস্তবায়ন খুবই কঠিন তারপরও বিএনপির চেয়ারম্যানের এই উদ্যোগকে সকলে স্বাগত জানিয়েছেন এবং কি তৃণমূলে আশা ফিরে এসেছেন তৃণমূলের নেতাকর্মী আশা করতেছেন হয়তো এখান থেকে তৃণমূল থেকে নেতৃত্বে উঠে আসবে কিন্তু একা তারেক রহমানের তারা সম্ভব নয় এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করা যে কোন দলের একটি অংশ বিশাল অংশ থাকে মধ্যস্বত্বভোগী তারা তৃণমূলকে দমিয়ে রাখার চেষ্টা করে এবং কৌশলের তারা ঠিকই তাদের পছন্দের লোককে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে কৌশলে জায়গায় করে ফিরিয়ে আনবেন।

সত্য ভুগি বলতে এখানে বোঝানো হয়েছে বিএনপি'র চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পরে সেই পথগুলি নির্ধারণ করা হয় কেন্দ্রীয় সেই পথ থেকে জেলা উপজেলা ইউনিয়ন পর্যন্ত সবাই সবার পছন্দের লোককে গুরুত্বপূর্ণ পদে বসানোর জন্য তৃণমূলকে কবর দিয়ে থাকেন। তৃণমূলকে দূরে ঠেলে দিয়ে মধ্যসত্ত্ব রোগীদের পছন্দের নেতাকর্মী কে বসিয়ে তৃণমূলকে দমিয়ে রাখবে তা হয়তো বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছ পর্যন্ত পৌঁছবে না।
যেকোনো দলের অন্তত ফিফটি পার্সেন্ট নেতাকর্মী স্বচ্ছতার জবাবদিহিতার চিন্তাধারা মনে যদি না থাকে তাহলে দলের শুধু চেয়ারম্যান তারেক রহমান সাহেব এটা বাস্তবায়ন করা কঠিন হয়ে পড়বে।

রাজনীতির সবচেয়ে বেশির ভাগ লোক হলো মধ্যসত্তভোগী তাই তাদের কৌশলের কাছে তৃণমূল হেরে যেতে বাধ্য হয়।

উদাহরণস্বরূপ একটি জেলা কমিটি একটি উপজেলা কমিটির আহবায়ক কমিটি দিয়ে থাকেন তিন মাসের জন্য, সেই আহ্বায়ক কমিটি তিন বছরেও কোন কার্যক্রম করতে পারে না!!  ঠিক ওই জেলা কমিটি নিজেদের স্বার্থ হাসিলের জন্য ওই ব্যর্থ্য আহবায়ক কমিটির নেতৃবৃন্দকে দিয়ে আবার ঐ অযোগ্য একটি আহবায়ক কমিটি দিয়ে থাকেন যা কিনা দলের গণতন্ত্র বিরোধী। সেই অনিয়মের বিষয় কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ জানার পরও যদি কোন ব্যবস্থা না নেন তাহলে বুঝতে হবে বিএনপি'র চেয়ারম্যান ছাড়া কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ , জেলা নেতৃবৃন্দ কিছু অযোগ্য লোককে যোগ্য বানিয়ে দলকে দূর্বল করে বিপদের দুকে ঠেলে দেন।

তারা খুঁজে থাকেন তাদের নিজস্ব পছন্দের লোক তৃণমূলের নেতাকর্মী যারা দুর্দিনে ত্যাগ শ্রম দিয়ে থাকেন তখন তাদের মূল্যায়ন থাকে না।
তাই মাননীয় বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান যদি কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের মধ্যে স্বচ্ছ কিছু নেতৃবৃন্দকে দিয়ে তদন্তের মাধ্যমে নেতা তৃণমূল থেকো তুলো আনতে পারেন, তখনি এটা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে।
এক পদ এক নেতা বাস্তবায়িত হলে হয়তো আশার মুখ দেখবে তৃণমূল নেতৃবৃন্দ। দলের তৃণমূলের হাহাকার দলের হাইকমান্ড পর্যন্ত কোনোদিন পৌঁছায় নাহ।

Image

বিষয় : @daily apnarkhabor news

আপনার মতামত জানান দৈনিক আপনার খবর

দৈনিক আপনার খবর

বুধবার, ১০ জুন ২০২৬


এক নেতা এক পদ কিন্তু কতটুকু বাস্তবায়ন হবে মধ্যসত্তভোগীদের কারণে বাস্তবায়ন হওয়ার সম্ভাবনা কম।

প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুন ২০২৬

featured Image


বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি'র চেয়ারম্যান বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একটি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন এক নেতা এক পদ। এই উদ্যোগটি একটি দলের জন্য স্বচ্ছতা জবাবদিহিতা দায়বদ্ধতা থেকে মুক্তি পাওয়ার একটি স্বচ্ছ রাস্তা।

এক নেতা এক পথ এটি বাস্তবায়ন খুবই কঠিন তারপরও বিএনপির চেয়ারম্যানের এই উদ্যোগকে সকলে স্বাগত জানিয়েছেন এবং কি তৃণমূলে আশা ফিরে এসেছেন তৃণমূলের নেতাকর্মী আশা করতেছেন হয়তো এখান থেকে তৃণমূল থেকে নেতৃত্বে উঠে আসবে কিন্তু একা তারেক রহমানের তারা সম্ভব নয় এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করা যে কোন দলের একটি অংশ বিশাল অংশ থাকে মধ্যস্বত্বভোগী তারা তৃণমূলকে দমিয়ে রাখার চেষ্টা করে এবং কৌশলের তারা ঠিকই তাদের পছন্দের লোককে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে কৌশলে জায়গায় করে ফিরিয়ে আনবেন।

সত্য ভুগি বলতে এখানে বোঝানো হয়েছে বিএনপি'র চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পরে সেই পথগুলি নির্ধারণ করা হয় কেন্দ্রীয় সেই পথ থেকে জেলা উপজেলা ইউনিয়ন পর্যন্ত সবাই সবার পছন্দের লোককে গুরুত্বপূর্ণ পদে বসানোর জন্য তৃণমূলকে কবর দিয়ে থাকেন। তৃণমূলকে দূরে ঠেলে দিয়ে মধ্যসত্ত্ব রোগীদের পছন্দের নেতাকর্মী কে বসিয়ে তৃণমূলকে দমিয়ে রাখবে তা হয়তো বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছ পর্যন্ত পৌঁছবে না।
যেকোনো দলের অন্তত ফিফটি পার্সেন্ট নেতাকর্মী স্বচ্ছতার জবাবদিহিতার চিন্তাধারা মনে যদি না থাকে তাহলে দলের শুধু চেয়ারম্যান তারেক রহমান সাহেব এটা বাস্তবায়ন করা কঠিন হয়ে পড়বে।

রাজনীতির সবচেয়ে বেশির ভাগ লোক হলো মধ্যসত্তভোগী তাই তাদের কৌশলের কাছে তৃণমূল হেরে যেতে বাধ্য হয়।

উদাহরণস্বরূপ একটি জেলা কমিটি একটি উপজেলা কমিটির আহবায়ক কমিটি দিয়ে থাকেন তিন মাসের জন্য, সেই আহ্বায়ক কমিটি তিন বছরেও কোন কার্যক্রম করতে পারে না!!  ঠিক ওই জেলা কমিটি নিজেদের স্বার্থ হাসিলের জন্য ওই ব্যর্থ্য আহবায়ক কমিটির নেতৃবৃন্দকে দিয়ে আবার ঐ অযোগ্য একটি আহবায়ক কমিটি দিয়ে থাকেন যা কিনা দলের গণতন্ত্র বিরোধী। সেই অনিয়মের বিষয় কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ জানার পরও যদি কোন ব্যবস্থা না নেন তাহলে বুঝতে হবে বিএনপি'র চেয়ারম্যান ছাড়া কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ , জেলা নেতৃবৃন্দ কিছু অযোগ্য লোককে যোগ্য বানিয়ে দলকে দূর্বল করে বিপদের দুকে ঠেলে দেন।

তারা খুঁজে থাকেন তাদের নিজস্ব পছন্দের লোক তৃণমূলের নেতাকর্মী যারা দুর্দিনে ত্যাগ শ্রম দিয়ে থাকেন তখন তাদের মূল্যায়ন থাকে না।
তাই মাননীয় বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান যদি কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের মধ্যে স্বচ্ছ কিছু নেতৃবৃন্দকে দিয়ে তদন্তের মাধ্যমে নেতা তৃণমূল থেকো তুলো আনতে পারেন, তখনি এটা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে।
এক পদ এক নেতা বাস্তবায়িত হলে হয়তো আশার মুখ দেখবে তৃণমূল নেতৃবৃন্দ। দলের তৃণমূলের হাহাকার দলের হাইকমান্ড পর্যন্ত কোনোদিন পৌঁছায় নাহ।


দৈনিক আপনার খবর

প্রকাশক ও সম্পাদক : মাসুদের রহমান
বার্তা সম্পাদক: ফরহাদ উদ্দিন

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত দৈনিক আপনার খবর