ঢাকা   সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬
দৈনিক আপনার খবর

শিশু রামিসা হত্যা মামলা রায় ঘোষনা, সোহেল রানা ও তার স্ত্রী মৃত্যুদণ্ড, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কথা রেখেছেন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইতিহাস সৃষ্টি করলেন, শিশু রামিসা হত্যা মামলা রায় ঘোষনা, সোহেল রানা ও তার স্ত্রী মৃত্যুদণ্ড



প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইতিহাস সৃষ্টি করলেন, শিশু রামিসা হত্যা মামলা রায় ঘোষনা, সোহেল রানা ও তার স্ত্রী মৃত্যুদণ্ড
???- ???????

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যারআলোচিত মামলায় প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেনআদালত। এর মাধ্যমে পাঁচ কর্ম দিবসে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে দ্রুততম সময়ের এই রায় ঘোষণা হলো।


রোববার (৭ জুন) ঢাকার মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন জনাকীর্ণআদালতে এই রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় দুই আসামিই আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। 

মামলার সংক্ষিপ্ত রায়ে বিচারক উল্লেখ করেন, আসামি সোহেল রানা শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর নির্মমভাবেহত্যা করেছেন—যা রাষ্ট্রপক্ষ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে। অন্যদিকে, সোহেলের স্ত্রী স্বপ্নাআক্তার এই অপরাধে সরাসরি সহায়তা করেছেন।

রায়ের পর এক প্রতিক্রিয়ায় সন্তুষ্টি জানিয়েছেন শিশু রামিসার বাবা। তবে তিনি দ্রুত সময়ের মধ্যে রায়কার্যকরের দাবি জানিয়েছেন। 

রায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত বলেন, স্বপ্না খাতুন তার স্বামী সোহেল রানার এই নৃশংস অপরাধের সহযোগীছিলেন। ঘটনার সময় স্বামীকে থামানোর কোনো চেষ্টা না করে, উল্টো অপরাধ আড়াল করতে এবং স্বামীকেঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যেতে তিনি প্রত্যক্ষভাবে সাহায্য করেছেন। সোহেলকে পালিয়ে যেতে ও মরদেহ গুমচেষ্টায় স্বপ্না সহযোগিতা করেছেন, এটা প্রামাণিত। সোহেল-স্বপ্নার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সহায়তায় এই নৃশংস ঘটনাঘটে। আইন অনুযায়ী, অপরাধে এই ধরনের সহায়তা ও অংশীদারিত্বের কারণে তারা উভয়েই সমভাবে অপরাধীএবং সর্বোচ্চ শাস্তি পাওয়ার যোগ্য।

আদালত বলেন, এটি একটি সমাজের বিরুদ্ধে অপরাধ। এই ঘৃণ্য অপরাধের যথাযথ সাজা নিশ্চিত করাআদালতের দায়িত্ব। এমন ব্যক্তিদের হাত থেকে শিশুসহ কেউ  নিরাপদ নয়।

রায়ের পর এক প্রতিক্রিয়ায় সন্তুষ্টি জানিয়েছেন শিশু রামিসার বাবা। তবে তিনি দ্রুত সময়ের মধ্যে রায়কার্যকরের দাবি জানিয়েছেন। 

এদিকে সকাল থেকেই এই রায়কে কেন্দ্র করে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত এলাকায় নজিরবিহীননিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। আদালত প্রাঙ্গণে অতিরিক্ত তিন প্লাটুন পুলিশ মোতায়েন করা ছিল। সকালসাড়ে আটটা থেকে পৌনে ৯টার মধ্যে দুই আসামিকে কড়া পুলিশি পাহারায় কারাগার থেকে আদালতেরহাজতখানায় নিয়ে আসা হয়। বেলা ১১টার কিছু পর তাদের এজলাসে তোলা হয়।

গত ১৯ মে মিরপুরের পল্লবীতে নিজ বাসার পাশের একটি ফ্ল্যাটে নির্মমভাবে ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়দ্বিতীয় শ্রেণির ওই শিক্ষার্থী। এই ঘটনার পর দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদের ঝড় ওঠে। দ্রুত বিচার নিশ্চিতকরার দাবিতে বিভিন্ন মহল থেকে সোচ্চার ভূমিকা পালন করা হয়।

হত্যাকাণ্ডের দিনই তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে প্রধান আসামি সোহেল রানা ওতার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ঘটনার পরদিন নিহত শিশুটির বাবা বাদি হয়ে পল্লবী থানায় একটিমামলা দায়ের করেন। ঘটনার মাত্র ১৯ দিনের মাথায় আজ এই আলোচিত মামলার রায় ঘোষিত হলো।

Image

বিষয় : @daily apnarkhabor news

আপনার মতামত জানান দৈনিক আপনার খবর

দৈনিক আপনার খবর

সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬


প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইতিহাস সৃষ্টি করলেন, শিশু রামিসা হত্যা মামলা রায় ঘোষনা, সোহেল রানা ও তার স্ত্রী মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুন ২০২৬

featured Image

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যারআলোচিত মামলায় প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেনআদালত। এর মাধ্যমে পাঁচ কর্ম দিবসে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে দ্রুততম সময়ের এই রায় ঘোষণা হলো।


রোববার (৭ জুন) ঢাকার মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন জনাকীর্ণআদালতে এই রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় দুই আসামিই আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। 

মামলার সংক্ষিপ্ত রায়ে বিচারক উল্লেখ করেন, আসামি সোহেল রানা শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর নির্মমভাবেহত্যা করেছেন—যা রাষ্ট্রপক্ষ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে। অন্যদিকে, সোহেলের স্ত্রী স্বপ্নাআক্তার এই অপরাধে সরাসরি সহায়তা করেছেন।

রায়ের পর এক প্রতিক্রিয়ায় সন্তুষ্টি জানিয়েছেন শিশু রামিসার বাবা। তবে তিনি দ্রুত সময়ের মধ্যে রায়কার্যকরের দাবি জানিয়েছেন। 

রায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত বলেন, স্বপ্না খাতুন তার স্বামী সোহেল রানার এই নৃশংস অপরাধের সহযোগীছিলেন। ঘটনার সময় স্বামীকে থামানোর কোনো চেষ্টা না করে, উল্টো অপরাধ আড়াল করতে এবং স্বামীকেঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যেতে তিনি প্রত্যক্ষভাবে সাহায্য করেছেন। সোহেলকে পালিয়ে যেতে ও মরদেহ গুমচেষ্টায় স্বপ্না সহযোগিতা করেছেন, এটা প্রামাণিত। সোহেল-স্বপ্নার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সহায়তায় এই নৃশংস ঘটনাঘটে। আইন অনুযায়ী, অপরাধে এই ধরনের সহায়তা ও অংশীদারিত্বের কারণে তারা উভয়েই সমভাবে অপরাধীএবং সর্বোচ্চ শাস্তি পাওয়ার যোগ্য।

আদালত বলেন, এটি একটি সমাজের বিরুদ্ধে অপরাধ। এই ঘৃণ্য অপরাধের যথাযথ সাজা নিশ্চিত করাআদালতের দায়িত্ব। এমন ব্যক্তিদের হাত থেকে শিশুসহ কেউ  নিরাপদ নয়।

রায়ের পর এক প্রতিক্রিয়ায় সন্তুষ্টি জানিয়েছেন শিশু রামিসার বাবা। তবে তিনি দ্রুত সময়ের মধ্যে রায়কার্যকরের দাবি জানিয়েছেন। 

এদিকে সকাল থেকেই এই রায়কে কেন্দ্র করে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত এলাকায় নজিরবিহীননিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। আদালত প্রাঙ্গণে অতিরিক্ত তিন প্লাটুন পুলিশ মোতায়েন করা ছিল। সকালসাড়ে আটটা থেকে পৌনে ৯টার মধ্যে দুই আসামিকে কড়া পুলিশি পাহারায় কারাগার থেকে আদালতেরহাজতখানায় নিয়ে আসা হয়। বেলা ১১টার কিছু পর তাদের এজলাসে তোলা হয়।

গত ১৯ মে মিরপুরের পল্লবীতে নিজ বাসার পাশের একটি ফ্ল্যাটে নির্মমভাবে ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়দ্বিতীয় শ্রেণির ওই শিক্ষার্থী। এই ঘটনার পর দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদের ঝড় ওঠে। দ্রুত বিচার নিশ্চিতকরার দাবিতে বিভিন্ন মহল থেকে সোচ্চার ভূমিকা পালন করা হয়।

হত্যাকাণ্ডের দিনই তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে প্রধান আসামি সোহেল রানা ওতার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ঘটনার পরদিন নিহত শিশুটির বাবা বাদি হয়ে পল্লবী থানায় একটিমামলা দায়ের করেন। ঘটনার মাত্র ১৯ দিনের মাথায় আজ এই আলোচিত মামলার রায় ঘোষিত হলো।


দৈনিক আপনার খবর

প্রকাশক ও সম্পাদক : মাসুদের রহমান
বার্তা সম্পাদক: ফরহাদ উদ্দিন

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত দৈনিক আপনার খবর