ঢাকা   রোববার, ০১ নভেম্বর ২০২৬
দৈনিক আপনার খবর

লাল শাকের প্রযুক্তিগত কৃষিবিজ্ঞান: বীজ বপন থেকে বাজারজাতকরণ ও অর্থনীতি সংক্রান্ত সমন্বিত প্রতিবেদন

লাল শাক সল্প পূজিঁতে অধিক লাভবান সবজি , ক্যালসিয়াম ভিটামিন অধিক পরিমাণে থাকে - বীজ বুনন থেকে বিক্রীর উপযোগী হওয়া পর্যন্ত দেওয়া হল।



লাল শাক সল্প পূজিঁতে অধিক লাভবান সবজি , ক্যালসিয়াম ভিটামিন অধিক পরিমাণে থাকে  - বীজ বুনন থেকে বিক্রীর উপযোগী হওয়া পর্যন্ত দেওয়া হল।
ছবি - সংগৃহীত

শাকের প্রযুক্তিগত কৃষিবিজ্ঞান: বীজ বপন থেকে বাজার ও অর্থনীতি সংক্রান্ত সমন্বিত গণনা

লাল শাক ( Amaranthus oleraceus or Amaranthus tricolor ) পার্টি, উচ্চমাত্রায় ভিটামিন এ, বিসি, ক্যালসিয়াম এবং জরুরি বিভিন্ন খনিজ উপাদান বিদ্যমান। স্বাগত, কম খরচের এবং বছরের পর্বের উচ্চতর চাহিদার কারণে সামাজিক জীবন লাল শাক চাষি প্রথাগত কৃষি থেকে শুরু করে ইসলামী ছাদবাগান পর্যন্ত একটি অত্যন্ত লাভজনক উদ্যোগী হিসাবে স্বীকৃত। শাকের আবাদ, বীজ রোপ অবস্থার অবস্থা, লাল লাল প্রাক-প্রস্তুতি, শক্তি নিয়ন্ত্রণ, বালাই এবং পরবর্তী শৃঙ্খল নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা বিস্তৃতভাবে আলোচনা করা।

১. ভৌগোলিক-জলবায়ুগত খাপখাওয়ানো ও বীজ রোপ উপযোগী সময়সূচি

লাল শাক আলোক-সংবেদন ও উষ্ণ-সহনশীল অঞ্চল খুঁজে বের করা উপযুক্ত বিভিন্ন ব্যবস্থার মাধ্যমে ঋতুশীল এর বিপরীতে সম্ভব।

১.১ আবাদ মৌসুম ও উপযুক্ত মাস

পাক পর্যাপ্ত সেচ এবং পানি নিষ্কাশনের সুবিধা থাকলে বছরই লাল শাক নিয়ন্ত্রণ করা যায়। তবে জলবায়ুতম্যের উপর ভিত্তি করে তার উন্নত ও গুণগত মান ঠিক করা হয়:

• প্রধান আবাদ মৌসুম (ভাদ্র থেকে পৌষ /-আগস্ট থেকে জানুয়ারি): বাণিজ্যিক আবাদের বীজ রোপ সবচেয়ে উপযুক্ত সময় শীতের সুচনা শীতকাল। বিশেষ করে ভাদ্র থেকে পৌষের বীজ বপনের জন্য বায়ুমণ্ডল শক্তি ও আর্দ্র ভার্সাম্য কচি পাতার রঙে অ্যাটোসাইয়ানিন রঞ্জকের তীব্রতা বৃদ্ধি এবং শাকের কোমলতা গঠন।

• গ্রীষ্ম ও বর্ষা প্ল্যান আবাদ (ফাল্গুন থেকে শ্রাবণ / আগস্ট থেকে আগস্ট): বসন্ত ও বর্ষাকালেও লাল শাক আবাদ সম্ভব। তবে অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের ফলে শাকে গোড়ার রোগ এবং আর্দ্রতাজনিত ছত্রাকের আক্রমণ বাড়তে পারে, যার জন্য বর্ষাকাল হতে পারে নিচু জমির বিকল্প ও পানি নিষ্কাশনযোগ্য।

১.২ মাটি ও জমি নির্বাচন

সুনিষ্কাশ, উর্বর এবং উচ্চ জৈব সাংস্কৃতিক শান্তি বেলে দো-আঁশ থেকে এঁটেল দো-আঁশ মাটি লাল শাক চাষের জন্য গঠন উপযোগী। অত্যাক্য এঁটেল মাটিতে শিকড়ের শক্তিস্পর্শ ব্যাবহার করা হয়, নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা কম ক্ষমতা কমি-বেলে মাটিতে জলঘাট দেখায়। কায়িক ও রায়গুণ গতিপথ পথ থেকে মাটির পিএইচ (পিএইচ) ধারা ৫৫।

২. উন্নত জাতের বৈশিষ্ট্য ও বীজের হার

মানসম্পন্ন বীজ নির্বাচন ও সঠিক ফলাফল নির্বাচন উচ্চতর প্রাথমিক শর্ত। স্থানীয়ভাবে ও স্থানীয়ভাবে উদ্ভাবিত বিভিন্ন উন্নত জাতের লাল শাক চাষ করা হয়।

নাম

শারীরবৃত্তীয় ও গাঠনিক বৈশিষ্ট্য

ফসল কাটার উপযুক্ত সময়কাল

শতক প্রতি গড় ফলন

হেক্টর প্রতি গড় ফলন

বারি লালশাক-১

১৯৯৬ সালে; পাতা ও কাণ্ড কোমল এবং গভীর রক্তলাল; প্রতি গাছে ১৫-২০টি পাতা থাকে; কাণ্ড ২৫-৩৫ সেমি দীর্ঘ।

২০ - ২৫ দিন

দশ - ৫৬ বছর

৫ - ৬ বছর

আলতা পেটি ২০

দ্রুত বৃদ্ধি; উজ্জ্বল লাল বোঁটা ও পাতা; কাণ্ড অত্যন্ত সুদু ও খসখসেহা মুক্তি।

২০ - ৩০ দিন

১৫ - ৪

৪.৫ - ৫.৫ টন

রক্তাঙ্গা / রক্তজবা

পাতার উপরিভাগ ও গভীরতা সমভাবে গভীর; রোগবালাই ও প্রতিকূল আবহাওয়া সহনশীল।

২৫ - ৩০ দিন

১৫ - ৫০

৪.৮ - ৫.৮ টন

পিংকি কুইন / ললিতা

কিচি কাণ্ড অত্যন্ত নরম; বাণিজ্যিক চাষ ও টব বা ছাদবাগানের জন্য বিশেষ উপযোগী।

এটি - ৩০ দিন

টিস - চার

৪.০ - ৫.০

বীজ হারের পরিমাপ

বীজ রোপ পদ্ধতি দ্বারা বীজের উপর পরিবর্তন। সারিতে বীজ বপন শতক প্রতি ৮ থেকে ১০ গ্রাম (হেক্টর প্রতি ১.০ থেকে ১.৫ কেজি) বীজের প্রয়োজন হয়। তবে শতকরা ১২ থেকে ১৫ গ্রাম বীজ বপন করতে হবে।

৩. ও সমন্বিত মাটি প্রস্তুতকরণ

শাকের অবীজ ও কোমল শিকড় ব্যবস্থার জন্য লাল জমির মাটিকে সুক্ষ্ম ও বুড়ঝুরে করা আবশ্যক।

৩.১ চাষ ও মী প্রদান

জমি ও মাটির ধরণ ভেদে থেকে ৬ গভীর চাষ ও মিই মাটি দিয়ে মাটি করতে হবে। প্রথম চাষি গভীর গভীর প্রয়োজন, যা নিম্ন মাটির গঠন আলগা করে সেচ ও পানি নিষ্কাশন প্রক্রিয়াকে সুগম করে এবং কন্দিয়া আগাছা চটি করে। চাষের পর মাটির বড় ঢলা একা ধূলিসম ঝুরে করতে হবে ছোট অংকুরিত চারা মাটি ভেদ করে উঠতে পারে। বর্ষাকালে দুই ভেজালা মাটিতে জলাবদ্ধতা এড়াতে অংশ থেকে ১০-১৫ সেমি পুলিশ বেড এবং বেডের নির্মাণ নিষ্কাশন না করা প্রয়োজন।

৩.২ সুষম সার প্রয়োগের সময়সূচি

স্বল্প জীবনকালের ফসল লাল শাকের জন্য প্রাথমিক উপস্থিতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জমির শেষ চাষের সময় জৈব সার ও সবচেয়ে রাসায় তৈরি সার মাটিতে ভালোভাবে পরিকল্পনা করতে হয়।

সারের নাম

শতক প্রতি

হেক্টর প্রতি

প্রয়োগ পদ্ধতি ও সময়

পচা গোবর/কম্পোস্ট

৪০২

১০ টন

শেষ চাষের সময় মাটির সম্পূর্ণ সাথে দিতে হবে।

ইউলিয়া

৫০০ - ৮০০ গ্রাম

১২৫ - ২০০ কেজি

অর্ধেক শেষ চাষে; বাকি অর্ধেক বীজ গজানো ১০-১৮ দিন পর দুই কিস্তিতে।

টি৭

৩০০ - ৪০০ গ্রাম

৭৫ - ১০০ কেজি

সম্পূর্ণ অংশ গঠনের সময় মেঝের সার (বেসাল ডোজ) হিসাবে প্রয়োগযোগ্য।

এমওপি

৪০০ - ৬০০ গ্রাম

১০০ - ১৫০ কেজি

সম্পূর্ণ অংশ গঠনের শেষ চাষে প্রয়োগ করতে হবে।

রাসায়নিক ব্যবস্থায় টিএসপি (টিএসপি) সারে বদলে ডাই-অ্যামোনিয়াম ফাসফেট (ডিএপি) সার প্রয়োগ করা হলে, প্রতি কেজিকৃত ডিএপি সারের জন্য ৪০০ গ্রাম ইউরিয়া সারে পরিপূরক কম ঘটাতে হয়।

৪. বীজ বপন পদ্ধতি, অঙ্কুরদগম ও চারা পাতলাকরণ

শারীরবৃত্তীয় দৃষ্টিকোণ থেকে লাল শাকের সমসুক্ষ্ম বৃদ্ধি ও পাতা প্রসার নিশ্চিত করতে সঠিক রোপণ কৌশল প্রয়োগ করতে হয়।

৪.১ বাপন প্রযুক্তি

লাল শাক দুই পদ্ধতিতে বাপন করা যায়:

1 সারি পদ্ধতি (প্রস্তাবিত মেকান প্রযুক্তি): এক সারি থেকে অন্য সারির দূরত্ব ২০ সেন্টিমিটার (বা ১৫ ইঞ্চি) রাখতে হয়। একটি কাঠি বা ছোট নিড়া দিয়ে ১৫-২০ সেন্টিমিটার গভীর লাইন টেনে সারিতে বীজ ফেলার পর মাটি দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। সারি পদ্ধতিতে সূর্যালোক ও বাতাসের অনুপ্রবেশ সহজ হয় এবং পরিচর্যা শক্তির সাশ্রয় হয়।

2 আমি দিতে বপন পদ্ধতি: অতিসূক্ষ্ম বীজ সমভাবে চেটানো কঠিন। তাই ১ ভাগের ভাগ ৯ ভাগ শুকনা ছাই বা সূক্ষ্ম শুকনো বালি ভাগে ভাগ করে দেওয়া হয়, ভাগের ভাগটা পুজিভূত না হওয়াটা সমানভাবে সৃষ্টি হয়।

৪.২ অঙ্কুরোদ্গম ও চারা পাতলাকরণ (পাতলা করা)

বীজ রোপ করা ৩ থেকে ৫ স্বাভাবিকের মধ্যে তৈরি আর্দ্রাদ্র অংকুরোদ্গম সম্পূর্ণ। চারা গজ থেকে ১০ দিন পরের অংশ থেকে সাতটি চারাটগুলি লিখতে হবে।

• সারিতে বোনা শস্যের ক্ষেত্রে গাছের দূরত্ব ৫ সেন্টিমিটার রাখা নিশ্চিত করতে হয়।

• আমি যোগসূত্রের জায়গার ক্ষেত্রে সার্বিক ভোটের প্রার্থী কমাতে প্রতি বর্গমিটারে ১০০ থেকে ১৪০টি সতেজ অংশের বাকি অংশে।

৫. সেচ, মৃত্তিকা আলগাকরণ ও অন্তর্বর্তী অন্তর্বর্তী পরিচর্যা

লাল শাকের ব্যবসায়িক মান নীতির পাতার আর্দ্রতা ও নরম কাণ্ডের উপর প্রভাব ফেলে, যা সুনির্দিষ্ট সেচ উন্নয়নের মাধ্যমে অর্জিত হয়।

৫.১ সেচ প্রয়োগ

শুষ্ক মৌসুমে মাটিতে রসবৈষম্য দেখা কাণ্ড শক্ত ও খসখসে হয়। ব্রাদার প্রতি ৪ থেকে ৫ দিন পর মাটির আর্দ্রতা মেপে পেস্ট সেচ প্রদান করতে হবে। কিন্তু সেচের ফলে মাটিতে অক্সিজেন স্বল্পতা (হাইপক্সিয়া হতে পারে, যা শিকড়ের শসন প্রক্রিয়াকে স্তব্ধ করে গাছ হলুদ দেয়।

৫.২ চটাটা ও আগাছা নিয়ন্ত্রণ

সেচ বা বৃষ্টির পর জমির উপর শক্ত আবরণ বা চটা (ভুত্বক) তৈরি হয়। নীল নিনি মাটি দিয়ে আলগা করার মাধ্যমে মাটি চটা দিতে হবে, যা মূল বায়ুচূড়া অবাধ গঠনে। বীজ গজানো ২০ থেকে ২৫ শতাংশের মধ্যে জমি আগাছা মুক্ত করা আবশ্যক, কারণ এই সময় আগাছা শাকের দ্রুত বৃদ্ধি যোগাড় করার জন্য এবং সূর্যালোক শোষণ করা।

৬. সমন্বিত বালাই ও রোগ রোগ

খাদ্য নিরাপত্তা ও অবশিষ্ট অংশ নিশ্চিতমুক্ত শাক বিষাক্ত রাসায়নিক এ-সিড আইপিএম (আইপিএম) প্রযুক্তির উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

৬.১ ক্ষতিকর পোকা আক্রমণ ও ক্ষতি

১. শুঁয়া পোকা (বিহারের লোমশ শুঁয়োপোকা): এই পোকা লাল শাকের পাতার সবুজ অংশ কঙ্কালসার করে। প্রাথমিক পাতার দল গঠন ডিম বা কীড়া পাতা সংগ্রহ করতে পারে বা কেরোসিন দড়িতে দমন করা যায়। আক্রমণ অত্যধিক হলে প্রতি লিটার পানিতে ম্যালাথিয়ন ৫৭ ইসি বা রক্সিয়ন ৪০ ইসি ১ মিলি হারে ব্লক স্প্রে করতে হয়। ২. জাবপোকা ও কাজ থ্রিপস (অ্যাফিডস ও থ্রিপস): চোকাসগুলো কচিকাটগুলো রস থেকে চুষে খায় এবং মোজাইক পাতার পোটের বাহাক হিসেবে। প্রাতঃ ক্লেতে শুকনো ছাই আমি আমার শারীরিক প্রতিবন্ধকতা করা যায়। একক নিয়ন্ত্রণে কাজ না হলে ইমিডাক্লোরোপ্রিড প্লের কীটনাশক (যেমন: এডমায়ার বাটিডো) প্রতি ১০ লিটার পানিতে ৭-১০ মিলি হারে ৫ শতক জমিতে ১০ দিন পর প্রয়োগের প্রয়োগ করা হয়।

৬.২ প্রধান রোগবালাই ও দমন

১. মরিচা রোগ (মরিচা): অ্যালবুগো নামক ছত্রাকের কারণে এ রোগ হয়, যার ফলে পাতার অংশে সাদা বা হলুদ ছোপ দেখা যায় যা পরে লালচে-মরিচা রঙে রূপ এবং পাতা শুকিয়ে যায়। নীতিগত ব্যবস্থা হিসাবে লিটার পানিতে ১.৫ গ্রাম ডাইথেন এম-৪ (ডিথেন এম-৪৫) বা প্রোপিকোনাজল ছত্রাকনাশক প্রতিযুক্ত পাতা ভিজিয়ে স্প্রে হয়। ২. গোড়া পচা রোগ (ড্যাম্পিং অফ): কচি চারার গোড়ায় পানি ভেজা দাগ হয়ে চারা ঢলে পড়ে। বীজ রোপ পূর্বে বীজ শোধন এবং জমি সুনিষ্কাশিত রাখলে এ রোগের প্রকোপ প্রতিরোধ করা যায়।

পণ্যের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বালাইনাশক প্রয়োগের ফলাফল সংগ্রহের পর থেকে ৭ থেকে ১৫ দিন ফসল বন্ধ রাখতে হবে, সতর্ক রাসায়নিক বিষনির্দিষ্ট অপেক্ষা (ফসলের পূর্ববর্তী ব্যবধান) দ্বারা নিষ্ক্রিয় হয়।

৭. চাষ সংগ্রহ, সংগ্রহ-উত্তর ব্যবস্থা ও বিপনন অর্থনীতি

বড় পদ্ধতির ধাপ এগিয়ে সঠিক সময়ে আহরণ ও বাজারিকরণের চাষ গ্রহণ।

৭.১ ফসল কাটার সময় ও কৌশল

বীজ বোনার ২১ থেকে ৩০-এর মধ্যে শাকার সম্পূর্ণ উপযোগী। ফসল একযোগে না তুলে ধাপে ধাপে কচি অবস্থায় পাতলাকরণের মাধ্যমে তুললে সর্বোচ্চ গুণগত মান বজায় থাকে। শিকড় সহরে লেখা অথবা গোড়ার ২-৩ সেমি ওপরে উপধারালো চুরি দিয়ে শাক সংগ্রহ করতে হয়।

৭.২ সংগ্রহ-উত্তর শৃঙ্খল (পোস্ট-হার্ভেস্ট হ্যান্ডলিং)

আরিত শাক সূর্যের আলোকে রাখা যাবে না, টাননিরুদন (ডিহাইড্রেশন) পাতা ঢলে পড়ে। পরিষ্কার পানি দিয়ে শাকের গোড়ার মাটির পানি ঝরিয়ে আঁটি বাঁধতে হয়। নাগরিকজাতি ক্ষতি এড়াতে বাঁশের খাঁচা বা দ্রত প্লাস্টিক ক্রেট ব্যবহার করা সুবিধাজনক।

কর্মক্ষমতা নির্দেশক

মানদণ্ড ও মান

প্রথম সংগ্রহের সময়কাল

বীজ রোপ ২১ - ২৫ দিন পর

উৎপাদন সংগ্রহের মোট পরিমাণ

২১ তারিখ থেকে ৩৫ দিন পর্যন্ত

শতক প্রতি মোট সংখ্যা

৩০ - ৫৪

বিঘা ৩ শতক) প্রতি সংখ্যা ৩

৪০০ - ৫০০ কেজি

বাণিজ্যিক মুনাফা অর্জন সূচক

বাপনের ২০-২২ এর মধ্যে মূলধন ফেরত লাভ শুরু

অর্থনৈতিক বিচারে লাল শাকের স্বল্প পরিবর্তনের সুবিধার কারণে একই আসন থেকে ৮ বার সফল চাষ আবাদ করা সম্ভব। স্থানীয় বাজার বিদেশী শাকজাতীয় সবজি আন্তর্জাতিক আন্তর্জাতিক রাপ্তানির বাণিজ্যিক অর্জনে আন্তর্জাতিক খাদ্য মান অনুসরণীয়।

৮. মূল্যায়ন ও সামগ্রিক বিকাশ মুখী নির্ধারণ

লাল শাক চাষ কম পুঁজিতে দ্রুত আয় একটি গতিশীল এলাকা। সার্বিক পরীক্ষায় দেখা যায়, ভাস্কর থেকে পৌষের মধ্যে সুপরিকল্পিত দোঁশ মাটিতে বারি লালশাক-১ বা সমমানের উচ্চফলনশীল জাত সঠিক পরিচর্যার রোপণের চাষের মাত্র ৩ থেকে ৪ সপ্তাহের মধ্যে বাজারজাতকরণ সম্ভব। লাইন রোপণ প্রযুক্তি অনুসরণ, সুষম জৈব ও অজৈব সার প্রয়োগ, আর্দ্রতা নিয়ন্ত্রণ এবং সমন্বিত বালাই দমন কৌশল নিশ্চিত করা শাক ব্লকে বাধা দিয়ে বাধা সৃষ্টিকারী ও বাণিজ্যিক লক্ষ্য অর্জন করা।

Image

বিষয় : @daily apnarkhabor news

আপনার মতামত জানান দৈনিক আপনার খবর

দৈনিক আপনার খবর

রোববার, ০১ নভেম্বর ২০২৬


লাল শাক সল্প পূজিঁতে অধিক লাভবান সবজি , ক্যালসিয়াম ভিটামিন অধিক পরিমাণে থাকে - বীজ বুনন থেকে বিক্রীর উপযোগী হওয়া পর্যন্ত দেওয়া হল।

প্রকাশের তারিখ : ২৭ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

শাকের প্রযুক্তিগত কৃষিবিজ্ঞান: বীজ বপন থেকে বাজার ও অর্থনীতি সংক্রান্ত সমন্বিত গণনা

লাল শাক ( Amaranthus oleraceus or Amaranthus tricolor ) পার্টি, উচ্চমাত্রায় ভিটামিন এ, বিসি, ক্যালসিয়াম এবং জরুরি বিভিন্ন খনিজ উপাদান বিদ্যমান। স্বাগত, কম খরচের এবং বছরের পর্বের উচ্চতর চাহিদার কারণে সামাজিক জীবন লাল শাক চাষি প্রথাগত কৃষি থেকে শুরু করে ইসলামী ছাদবাগান পর্যন্ত একটি অত্যন্ত লাভজনক উদ্যোগী হিসাবে স্বীকৃত। শাকের আবাদ, বীজ রোপ অবস্থার অবস্থা, লাল লাল প্রাক-প্রস্তুতি, শক্তি নিয়ন্ত্রণ, বালাই এবং পরবর্তী শৃঙ্খল নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা বিস্তৃতভাবে আলোচনা করা।

১. ভৌগোলিক-জলবায়ুগত খাপখাওয়ানো ও বীজ রোপ উপযোগী সময়সূচি

লাল শাক আলোক-সংবেদন ও উষ্ণ-সহনশীল অঞ্চল খুঁজে বের করা উপযুক্ত বিভিন্ন ব্যবস্থার মাধ্যমে ঋতুশীল এর বিপরীতে সম্ভব।

১.১ আবাদ মৌসুম ও উপযুক্ত মাস

পাক পর্যাপ্ত সেচ এবং পানি নিষ্কাশনের সুবিধা থাকলে বছরই লাল শাক নিয়ন্ত্রণ করা যায়। তবে জলবায়ুতম্যের উপর ভিত্তি করে তার উন্নত ও গুণগত মান ঠিক করা হয়:

• প্রধান আবাদ মৌসুম (ভাদ্র থেকে পৌষ /-আগস্ট থেকে জানুয়ারি): বাণিজ্যিক আবাদের বীজ রোপ সবচেয়ে উপযুক্ত সময় শীতের সুচনা শীতকাল। বিশেষ করে ভাদ্র থেকে পৌষের বীজ বপনের জন্য বায়ুমণ্ডল শক্তি ও আর্দ্র ভার্সাম্য কচি পাতার রঙে অ্যাটোসাইয়ানিন রঞ্জকের তীব্রতা বৃদ্ধি এবং শাকের কোমলতা গঠন।

• গ্রীষ্ম ও বর্ষা প্ল্যান আবাদ (ফাল্গুন থেকে শ্রাবণ / আগস্ট থেকে আগস্ট): বসন্ত ও বর্ষাকালেও লাল শাক আবাদ সম্ভব। তবে অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের ফলে শাকে গোড়ার রোগ এবং আর্দ্রতাজনিত ছত্রাকের আক্রমণ বাড়তে পারে, যার জন্য বর্ষাকাল হতে পারে নিচু জমির বিকল্প ও পানি নিষ্কাশনযোগ্য।

১.২ মাটি ও জমি নির্বাচন

সুনিষ্কাশ, উর্বর এবং উচ্চ জৈব সাংস্কৃতিক শান্তি বেলে দো-আঁশ থেকে এঁটেল দো-আঁশ মাটি লাল শাক চাষের জন্য গঠন উপযোগী। অত্যাক্য এঁটেল মাটিতে শিকড়ের শক্তিস্পর্শ ব্যাবহার করা হয়, নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা কম ক্ষমতা কমি-বেলে মাটিতে জলঘাট দেখায়। কায়িক ও রায়গুণ গতিপথ পথ থেকে মাটির পিএইচ (পিএইচ) ধারা ৫৫।

২. উন্নত জাতের বৈশিষ্ট্য ও বীজের হার

মানসম্পন্ন বীজ নির্বাচন ও সঠিক ফলাফল নির্বাচন উচ্চতর প্রাথমিক শর্ত। স্থানীয়ভাবে ও স্থানীয়ভাবে উদ্ভাবিত বিভিন্ন উন্নত জাতের লাল শাক চাষ করা হয়।

নাম

শারীরবৃত্তীয় ও গাঠনিক বৈশিষ্ট্য

ফসল কাটার উপযুক্ত সময়কাল

শতক প্রতি গড় ফলন

হেক্টর প্রতি গড় ফলন

বারি লালশাক-১

১৯৯৬ সালে; পাতা ও কাণ্ড কোমল এবং গভীর রক্তলাল; প্রতি গাছে ১৫-২০টি পাতা থাকে; কাণ্ড ২৫-৩৫ সেমি দীর্ঘ।

২০ - ২৫ দিন

দশ - ৫৬ বছর

৫ - ৬ বছর

আলতা পেটি ২০

দ্রুত বৃদ্ধি; উজ্জ্বল লাল বোঁটা ও পাতা; কাণ্ড অত্যন্ত সুদু ও খসখসেহা মুক্তি।

২০ - ৩০ দিন

১৫ - ৪

৪.৫ - ৫.৫ টন

রক্তাঙ্গা / রক্তজবা

পাতার উপরিভাগ ও গভীরতা সমভাবে গভীর; রোগবালাই ও প্রতিকূল আবহাওয়া সহনশীল।

২৫ - ৩০ দিন

১৫ - ৫০

৪.৮ - ৫.৮ টন

পিংকি কুইন / ললিতা

কিচি কাণ্ড অত্যন্ত নরম; বাণিজ্যিক চাষ ও টব বা ছাদবাগানের জন্য বিশেষ উপযোগী।

এটি - ৩০ দিন

টিস - চার

৪.০ - ৫.০

বীজ হারের পরিমাপ

বীজ রোপ পদ্ধতি দ্বারা বীজের উপর পরিবর্তন। সারিতে বীজ বপন শতক প্রতি ৮ থেকে ১০ গ্রাম (হেক্টর প্রতি ১.০ থেকে ১.৫ কেজি) বীজের প্রয়োজন হয়। তবে শতকরা ১২ থেকে ১৫ গ্রাম বীজ বপন করতে হবে।

৩. ও সমন্বিত মাটি প্রস্তুতকরণ

শাকের অবীজ ও কোমল শিকড় ব্যবস্থার জন্য লাল জমির মাটিকে সুক্ষ্ম ও বুড়ঝুরে করা আবশ্যক।

৩.১ চাষ ও মী প্রদান

জমি ও মাটির ধরণ ভেদে থেকে ৬ গভীর চাষ ও মিই মাটি দিয়ে মাটি করতে হবে। প্রথম চাষি গভীর গভীর প্রয়োজন, যা নিম্ন মাটির গঠন আলগা করে সেচ ও পানি নিষ্কাশন প্রক্রিয়াকে সুগম করে এবং কন্দিয়া আগাছা চটি করে। চাষের পর মাটির বড় ঢলা একা ধূলিসম ঝুরে করতে হবে ছোট অংকুরিত চারা মাটি ভেদ করে উঠতে পারে। বর্ষাকালে দুই ভেজালা মাটিতে জলাবদ্ধতা এড়াতে অংশ থেকে ১০-১৫ সেমি পুলিশ বেড এবং বেডের নির্মাণ নিষ্কাশন না করা প্রয়োজন।

৩.২ সুষম সার প্রয়োগের সময়সূচি

স্বল্প জীবনকালের ফসল লাল শাকের জন্য প্রাথমিক উপস্থিতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জমির শেষ চাষের সময় জৈব সার ও সবচেয়ে রাসায় তৈরি সার মাটিতে ভালোভাবে পরিকল্পনা করতে হয়।

সারের নাম

শতক প্রতি

হেক্টর প্রতি

প্রয়োগ পদ্ধতি ও সময়

পচা গোবর/কম্পোস্ট

৪০২

১০ টন

শেষ চাষের সময় মাটির সম্পূর্ণ সাথে দিতে হবে।

ইউলিয়া

৫০০ - ৮০০ গ্রাম

১২৫ - ২০০ কেজি

অর্ধেক শেষ চাষে; বাকি অর্ধেক বীজ গজানো ১০-১৮ দিন পর দুই কিস্তিতে।

টি৭

৩০০ - ৪০০ গ্রাম

৭৫ - ১০০ কেজি

সম্পূর্ণ অংশ গঠনের সময় মেঝের সার (বেসাল ডোজ) হিসাবে প্রয়োগযোগ্য।

এমওপি

৪০০ - ৬০০ গ্রাম

১০০ - ১৫০ কেজি

সম্পূর্ণ অংশ গঠনের শেষ চাষে প্রয়োগ করতে হবে।

রাসায়নিক ব্যবস্থায় টিএসপি (টিএসপি) সারে বদলে ডাই-অ্যামোনিয়াম ফাসফেট (ডিএপি) সার প্রয়োগ করা হলে, প্রতি কেজিকৃত ডিএপি সারের জন্য ৪০০ গ্রাম ইউরিয়া সারে পরিপূরক কম ঘটাতে হয়।

৪. বীজ বপন পদ্ধতি, অঙ্কুরদগম ও চারা পাতলাকরণ

শারীরবৃত্তীয় দৃষ্টিকোণ থেকে লাল শাকের সমসুক্ষ্ম বৃদ্ধি ও পাতা প্রসার নিশ্চিত করতে সঠিক রোপণ কৌশল প্রয়োগ করতে হয়।

৪.১ বাপন প্রযুক্তি

লাল শাক দুই পদ্ধতিতে বাপন করা যায়:

1 সারি পদ্ধতি (প্রস্তাবিত মেকান প্রযুক্তি): এক সারি থেকে অন্য সারির দূরত্ব ২০ সেন্টিমিটার (বা ১৫ ইঞ্চি) রাখতে হয়। একটি কাঠি বা ছোট নিড়া দিয়ে ১৫-২০ সেন্টিমিটার গভীর লাইন টেনে সারিতে বীজ ফেলার পর মাটি দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। সারি পদ্ধতিতে সূর্যালোক ও বাতাসের অনুপ্রবেশ সহজ হয় এবং পরিচর্যা শক্তির সাশ্রয় হয়।

2 আমি দিতে বপন পদ্ধতি: অতিসূক্ষ্ম বীজ সমভাবে চেটানো কঠিন। তাই ১ ভাগের ভাগ ৯ ভাগ শুকনা ছাই বা সূক্ষ্ম শুকনো বালি ভাগে ভাগ করে দেওয়া হয়, ভাগের ভাগটা পুজিভূত না হওয়াটা সমানভাবে সৃষ্টি হয়।

৪.২ অঙ্কুরোদ্গম ও চারা পাতলাকরণ (পাতলা করা)

বীজ রোপ করা ৩ থেকে ৫ স্বাভাবিকের মধ্যে তৈরি আর্দ্রাদ্র অংকুরোদ্গম সম্পূর্ণ। চারা গজ থেকে ১০ দিন পরের অংশ থেকে সাতটি চারাটগুলি লিখতে হবে।

• সারিতে বোনা শস্যের ক্ষেত্রে গাছের দূরত্ব ৫ সেন্টিমিটার রাখা নিশ্চিত করতে হয়।

• আমি যোগসূত্রের জায়গার ক্ষেত্রে সার্বিক ভোটের প্রার্থী কমাতে প্রতি বর্গমিটারে ১০০ থেকে ১৪০টি সতেজ অংশের বাকি অংশে।

৫. সেচ, মৃত্তিকা আলগাকরণ ও অন্তর্বর্তী অন্তর্বর্তী পরিচর্যা

লাল শাকের ব্যবসায়িক মান নীতির পাতার আর্দ্রতা ও নরম কাণ্ডের উপর প্রভাব ফেলে, যা সুনির্দিষ্ট সেচ উন্নয়নের মাধ্যমে অর্জিত হয়।

৫.১ সেচ প্রয়োগ

শুষ্ক মৌসুমে মাটিতে রসবৈষম্য দেখা কাণ্ড শক্ত ও খসখসে হয়। ব্রাদার প্রতি ৪ থেকে ৫ দিন পর মাটির আর্দ্রতা মেপে পেস্ট সেচ প্রদান করতে হবে। কিন্তু সেচের ফলে মাটিতে অক্সিজেন স্বল্পতা (হাইপক্সিয়া হতে পারে, যা শিকড়ের শসন প্রক্রিয়াকে স্তব্ধ করে গাছ হলুদ দেয়।

৫.২ চটাটা ও আগাছা নিয়ন্ত্রণ

সেচ বা বৃষ্টির পর জমির উপর শক্ত আবরণ বা চটা (ভুত্বক) তৈরি হয়। নীল নিনি মাটি দিয়ে আলগা করার মাধ্যমে মাটি চটা দিতে হবে, যা মূল বায়ুচূড়া অবাধ গঠনে। বীজ গজানো ২০ থেকে ২৫ শতাংশের মধ্যে জমি আগাছা মুক্ত করা আবশ্যক, কারণ এই সময় আগাছা শাকের দ্রুত বৃদ্ধি যোগাড় করার জন্য এবং সূর্যালোক শোষণ করা।

৬. সমন্বিত বালাই ও রোগ রোগ

খাদ্য নিরাপত্তা ও অবশিষ্ট অংশ নিশ্চিতমুক্ত শাক বিষাক্ত রাসায়নিক এ-সিড আইপিএম (আইপিএম) প্রযুক্তির উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

৬.১ ক্ষতিকর পোকা আক্রমণ ও ক্ষতি

১. শুঁয়া পোকা (বিহারের লোমশ শুঁয়োপোকা): এই পোকা লাল শাকের পাতার সবুজ অংশ কঙ্কালসার করে। প্রাথমিক পাতার দল গঠন ডিম বা কীড়া পাতা সংগ্রহ করতে পারে বা কেরোসিন দড়িতে দমন করা যায়। আক্রমণ অত্যধিক হলে প্রতি লিটার পানিতে ম্যালাথিয়ন ৫৭ ইসি বা রক্সিয়ন ৪০ ইসি ১ মিলি হারে ব্লক স্প্রে করতে হয়। ২. জাবপোকা ও কাজ থ্রিপস (অ্যাফিডস ও থ্রিপস): চোকাসগুলো কচিকাটগুলো রস থেকে চুষে খায় এবং মোজাইক পাতার পোটের বাহাক হিসেবে। প্রাতঃ ক্লেতে শুকনো ছাই আমি আমার শারীরিক প্রতিবন্ধকতা করা যায়। একক নিয়ন্ত্রণে কাজ না হলে ইমিডাক্লোরোপ্রিড প্লের কীটনাশক (যেমন: এডমায়ার বাটিডো) প্রতি ১০ লিটার পানিতে ৭-১০ মিলি হারে ৫ শতক জমিতে ১০ দিন পর প্রয়োগের প্রয়োগ করা হয়।

৬.২ প্রধান রোগবালাই ও দমন

১. মরিচা রোগ (মরিচা): অ্যালবুগো নামক ছত্রাকের কারণে এ রোগ হয়, যার ফলে পাতার অংশে সাদা বা হলুদ ছোপ দেখা যায় যা পরে লালচে-মরিচা রঙে রূপ এবং পাতা শুকিয়ে যায়। নীতিগত ব্যবস্থা হিসাবে লিটার পানিতে ১.৫ গ্রাম ডাইথেন এম-৪ (ডিথেন এম-৪৫) বা প্রোপিকোনাজল ছত্রাকনাশক প্রতিযুক্ত পাতা ভিজিয়ে স্প্রে হয়। ২. গোড়া পচা রোগ (ড্যাম্পিং অফ): কচি চারার গোড়ায় পানি ভেজা দাগ হয়ে চারা ঢলে পড়ে। বীজ রোপ পূর্বে বীজ শোধন এবং জমি সুনিষ্কাশিত রাখলে এ রোগের প্রকোপ প্রতিরোধ করা যায়।

পণ্যের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বালাইনাশক প্রয়োগের ফলাফল সংগ্রহের পর থেকে ৭ থেকে ১৫ দিন ফসল বন্ধ রাখতে হবে, সতর্ক রাসায়নিক বিষনির্দিষ্ট অপেক্ষা (ফসলের পূর্ববর্তী ব্যবধান) দ্বারা নিষ্ক্রিয় হয়।

৭. চাষ সংগ্রহ, সংগ্রহ-উত্তর ব্যবস্থা ও বিপনন অর্থনীতি

বড় পদ্ধতির ধাপ এগিয়ে সঠিক সময়ে আহরণ ও বাজারিকরণের চাষ গ্রহণ।

৭.১ ফসল কাটার সময় ও কৌশল

বীজ বোনার ২১ থেকে ৩০-এর মধ্যে শাকার সম্পূর্ণ উপযোগী। ফসল একযোগে না তুলে ধাপে ধাপে কচি অবস্থায় পাতলাকরণের মাধ্যমে তুললে সর্বোচ্চ গুণগত মান বজায় থাকে। শিকড় সহরে লেখা অথবা গোড়ার ২-৩ সেমি ওপরে উপধারালো চুরি দিয়ে শাক সংগ্রহ করতে হয়।

৭.২ সংগ্রহ-উত্তর শৃঙ্খল (পোস্ট-হার্ভেস্ট হ্যান্ডলিং)

আরিত শাক সূর্যের আলোকে রাখা যাবে না, টাননিরুদন (ডিহাইড্রেশন) পাতা ঢলে পড়ে। পরিষ্কার পানি দিয়ে শাকের গোড়ার মাটির পানি ঝরিয়ে আঁটি বাঁধতে হয়। নাগরিকজাতি ক্ষতি এড়াতে বাঁশের খাঁচা বা দ্রত প্লাস্টিক ক্রেট ব্যবহার করা সুবিধাজনক।

কর্মক্ষমতা নির্দেশক

মানদণ্ড ও মান

প্রথম সংগ্রহের সময়কাল

বীজ রোপ ২১ - ২৫ দিন পর

উৎপাদন সংগ্রহের মোট পরিমাণ

২১ তারিখ থেকে ৩৫ দিন পর্যন্ত

শতক প্রতি মোট সংখ্যা

৩০ - ৫৪

বিঘা ৩ শতক) প্রতি সংখ্যা ৩

৪০০ - ৫০০ কেজি

বাণিজ্যিক মুনাফা অর্জন সূচক

বাপনের ২০-২২ এর মধ্যে মূলধন ফেরত লাভ শুরু

অর্থনৈতিক বিচারে লাল শাকের স্বল্প পরিবর্তনের সুবিধার কারণে একই আসন থেকে ৮ বার সফল চাষ আবাদ করা সম্ভব। স্থানীয় বাজার বিদেশী শাকজাতীয় সবজি আন্তর্জাতিক আন্তর্জাতিক রাপ্তানির বাণিজ্যিক অর্জনে আন্তর্জাতিক খাদ্য মান অনুসরণীয়।

৮. মূল্যায়ন ও সামগ্রিক বিকাশ মুখী নির্ধারণ

লাল শাক চাষ কম পুঁজিতে দ্রুত আয় একটি গতিশীল এলাকা। সার্বিক পরীক্ষায় দেখা যায়, ভাস্কর থেকে পৌষের মধ্যে সুপরিকল্পিত দোঁশ মাটিতে বারি লালশাক-১ বা সমমানের উচ্চফলনশীল জাত সঠিক পরিচর্যার রোপণের চাষের মাত্র ৩ থেকে ৪ সপ্তাহের মধ্যে বাজারজাতকরণ সম্ভব। লাইন রোপণ প্রযুক্তি অনুসরণ, সুষম জৈব ও অজৈব সার প্রয়োগ, আর্দ্রতা নিয়ন্ত্রণ এবং সমন্বিত বালাই দমন কৌশল নিশ্চিত করা শাক ব্লকে বাধা দিয়ে বাধা সৃষ্টিকারী ও বাণিজ্যিক লক্ষ্য অর্জন করা।


দৈনিক আপনার খবর

প্রকাশক ও সম্পাদক : মাসুদের রহমান
বার্তা সম্পাদক: ফরহাদ উদ্দিন

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত দৈনিক আপনার খবর