প্রিন্ট এর তারিখ : ১৬ মে ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১৬ মে ২০২৬
একজন বিএনপি নেতার লেখা, জামায়েত ইসলামী মেমোরী সর্ট জাতীয় বেঈমান
বার্তা লেখক, বিভাগীয় বার্তা লেখক ||
বএনপি নেতার কথা গুলো হুবহু তুলে ধরা হল।অকৃতজ্ঞ বেইমানদেব একটা সোজা কথা বলি—শিবিরের ছাড়া মির্জা আব্বাস প্রধান প্রধান কল্পনা করা যায়। নব্বই যেখানে বর্ণনার থেকে ২০০৬ পর্যন্ত আবাস ছিলেন, সেখানেই জামাতার নীতি ছিল। জেলখানায় নিজের বাসার রান্না করা খাবার দিয়ে জামাত কথা বলা হচ্ছে, আজ ৫ আগস্ট পরই "চান্দা আব্বাস" বলে অপমান করা হচ্ছে? অকৃতজ্ঞতারও একটা লিমিট রাখা উচিত!শাহাঁ আমাদ — এক সময় জামাতের কিছু লোক যাঁকে বলেছিল প্রধানমন্ত্রী উও দিতেন। দুঃশাসনের সময় যখন ক্ষমতার ক্ষমতাধর ছিল না, তখন শিগগিরই হুমকির মুখপাত্র হয়ে বিএনপি-জামাতের লড়াইয়ের স্পন্দন ধরেছিল। আজ একই বিজ্ঞপ্তি "শিলং সালাহ" বলে ট্যাগ দেওয়া হচ্ছে? বেমানীর এত বড়?আর খালেদা জিয়া? ১৯৯৬ সালে মাত্র ৩ আসন পাওয়া জামাতকে ২৯ আসন ছেড়ে দিয়ে ক্ষমতায় বসিয়েছিলেন তিনি। নিজের কাছে গিয়ে তাদের জন্য চেয়েছেন। সেই জামাতের বাররা ১/১১-এ এসেছেন বলেছে — "খালেদা জিয়ার দায়িত্ব আমরা নেব না"। এই বেইমানির নোংরা শব্দটি ব্যাখ্যা করা যায়?যারা আজ হাফ-জামাতী আর অংশমটাই বিএনপি হতে ফুলটাইম বেইমান চেষ্টা করছেন, তাদের জন্য সতর্কবাণী। মির্জা আব্বাস সালাহ আহমদের চেয়ে বড় আপনি এখনো হননি। অকৃতজ্ঞতা যেদিন তাদের নীল ফেলবে, অবশ্যই সবার আগে তোমার পিঠেই কামড় বসবে।যার আশেপাশে এই ধরনের চোগলখোর সুবিধাবাদীরা ঘুরছে, তার আর এগিয়ে যাওয়া দরকার নেই। জামাতের বিষাক্ত নীতির যেদিন বিদ্ধ করবে, বিকল্প মির্জা আব্বাসের মতো আপনাকে দিতে পারবেন না। নিজের দলও তখন সতর্ক মুখ নেবে।ইতিহাস সাক্ষী। মজধোলাই করে লাভ নেই।
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত দৈনিক আপনার খবর