প্রিন্ট এর তারিখ : ১২ মে ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ০৬ মে ২০২৬
বাংলাদেশ এর ইতিহাসে ম্যাজিক্যাল ও কারিসমাটিক প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান - ৩ (তিন) মাসেই একের পর এক দূর্দান্ত সিদ্বান্তে বাজিমাত।
Masuder Rahman, প্রধান নির্বাহী সম্পাদক ও প্রকাশক ||
> তারেক রহমান নির্বাচন এর আগে বাংলাদেশের জিডিপিকে ১ ট্রিলিয়ন ডলারে নিয়ে যাওয়ার কথা বলেছেন
বর্তমান সরকারের ইনভেস্টমেন্ট পলিসির জন্য বিনিয়োগের পরিমাণ আগামী কয়েক বছরে ২ (দুই) বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে। নির্বাচনের পর বর্তমানে ৫ টি দেশের ৩০ টি কোম্পানি রয়েছে যারা বিশাল পরিমাণ বিনিয়োগ নিয়ে বাংলাদেশে হাজির। যারা বাংলাদেশে ব্যাপক পরিমাণ শিল্প কলকারখানা স্থাপন করতে চায় -তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে রয়েছে:প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিক উদ্যোগ: প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে ৩৮টি অডিট রিপোর্ট গ্রহণ, কৃষকদের জন্য ১০,০০০ টাকার সুদসহ কৃষি ঋণ মওকুফের ব্যবস্থা, এবং মাদক ও অবৈধ অস্ত্র বিরোধী যৌথ অভিযানের নির্দেশনা
উন্নয়ন পরিকল্পনা: হাওর অঞ্চলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সহায়তা, ৫ বছরে ২০ হাজার কিমি খাল খননের প্রকল্প, এবং সরকারি সেবায় স্মার্ট ও ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নিয়েছেন। শিক্ষা ও সামাজিক উন্নয়ন: আধুনিক ও বিশ্বমানের শিক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা এবং বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়কে করমুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছেন। # বিভিন্ন দেশের সাথে বাণিজ্যিক চুক্তি ও সফলতা - China - ১৭ ই মার্চ ২০২৬, এককভাবে ৮০ মিলিয়ন ডলার৷ বিনিয়োগের পরিকল্পনা করেছে যা এই জোনের ইতিহাসে কোনো একক কোম্পানির জন্য সর্বোচ্চ। লিডার্স লেবেল কোম্পানি জুন মাসের মধ্যে আরও ২৫ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে। চীন তৈরী করবে ইলেকট্রনিক চিপ , সেমিকন্ডাক্টর। Japan - এর লায়ন কর্পোরেশন এপ্রিল ২০২৬ এর মধ্যে এখানে বিশাল কারখানা উদ্বোধন করেছে। ৷ সবচাইতে বেশি বিনিয়োগ করছে এই অঞ্চলে। বিনিয়োগ নিশ্চিত হওয়া ১২ টি কোম্পানিই জাপানি। Japan তৈরী করবে মোটরসাইকেল পার্টস, ইঞ্জিন, অটোমোবাইল হেভি মেশিনারিজ। United kingdom - প্রস্তাবিত বিনিয়োগ প্রায় ৩০ মিলিয়ন ডলার। United state - US এবং South Korea তৈরী করবে লিথিয়াম ব্যাটারি এবং হোম ইলেকট্রনিক্স। UK তেরী করবে খুচরা দ্রব্য, ভোগ্য পন্য, প্রসেসড ফুড। Germany & Sweden - তৈরী করবে টেক্সটাইল কেমিক্যাল ও মেশিনারিজ। Bangladesh ও South Korea এর মাঝে মুক্ত বানিজ্য চুক্তি ( FTA) আলোচনা অনেকদুর এগিয়ে নেয়া সম্ভব হয়েছে। তাই পলিসি মোতাবেক ব্যপকহারে ইন্ডাস্ট্রিয়ালাইজেশন এর উদ্যোগ নিয়েছে বিএনপি। বর্তমানে প্রায় ৩০ টি কোম্পানি এখনো পাইপলাইনে আছে এই অঞ্চলগুলোতে বিনিয়োগের জন্য। আগামী ১০ বছরের মধ্যেই এ অঞ্চল বিনিয়োগ ছাড়িয়ে যাবে ২ বিলিয়ন ডলার। এই জোনটি পুর্ণ সচল হলে আগামী ১০ বছরে প্রায় ১০০,০০০ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কর্ম সংস্থান হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে আগামী জুন জুলাইয়ের মধ্যে কারখানাগুলো পুরোদমে দেশের খনি থেকে উত্তলিত গ্যাস পাবে সরাসরি। এ বছরের মধ্যে কারখানা স্থাপনের জন্য আরও প্রায় ২২০ একর জমি হস্তান্তর করা হবে। দেশে ব্যপকহারে শিল্পায়ন শুরু হইছে। সারা পৃথিবীতে ইন্ডাস্ট্রিয়ালাইজেশনের ছোয়া পেলেও আমরা বরাবরই এক্ষেত্রে পিছায়ে ছিলাম। আশাকরা যায় ১২,০০০ মার্কিন ডলারের মাথাপিছু আয় আর ১ ট্রিলিয়ন ডলারের জিডিপি এখন আর স্বপ্ন না, শুধু সময়ের অপেক্ষা মাত্র। জ্বালানি খাতে বড় ব্রেকথ্রু: তারেক রহমানের বিএনপি সরকার ১ বিলিয়ন ডলারের বেশি অর্থায়নে অত্যাধুনিক তেল শোধনাগার নির্মাণ চুক্তি করতে যাচ্ছে। প্রায় ১ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি অর্থায়নে দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ও আধুনিক তেল শোধনাগার (ERL-2) নির্মাণে IDB-এর সঙ্গে চূড়ান্ত আলোচনায় বিএনপি সরকার—যা ভবিষ্যতের জ্বালানি নিরাপত্তায় বড় মাইলফলক হতে যাচ্ছে। বর্তমান ১.৫ মিলিয়ন টন সক্ষমতা বেড়ে দাঁড়াবে প্রায় ৪.৫ মিলিয়ন টনে—অর্থাৎ দ্বিগুণেরও বেশি! নতুন শিল্পের দরজা খুলবে:LPG, ন্যাফথা, জেট ফুয়েলসহ বিভিন্ন বাই-প্রডাক্ট উৎপাদনের মাধ্যমে দেশে নতুন শিল্প ও বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি হবে। আন্তর্জাতিক মানের জ্বালানি: Euro-5 স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করায় ভবিষ্যতে ইউরোপেও রপ্তানির সম্ভাবনা তৈরি হবে।ভবিষ্যৎ লক্ষ্য: - পরবর্তী ধাপে ERL-3 বাস্তবায়ন হলে বাংলাদেশ সম্পূর্ণ জ্বালানি আত্মনির্ভর দেশে পরিণত হতে পারে।
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত দৈনিক আপনার খবর